দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ ছোট রাষ্ট্র ব্রুনাই দারুসসালাম কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশী কর্মীদের কর্মস্থল — নির্মাণ, রেস্টুরেন্ট, দোকান, ক্লিনিং ও কৃষি খাতে হাজারো বাংলাদেশী সেখানে কর্মরত। বাজারটি বড় নয়, কিন্তু বেতন নিয়মিত এবং পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। সমস্যা একটাই — এই বাজার ঘিরে 'ফ্রি ভিসা' প্রতারণার দীর্ঘ ইতিহাস।
বৈধ প্রক্রিয়া কেমন?
- ব্রুনাইয়ের নিয়োগকর্তা শ্রম দপ্তর থেকে বিদেশী কর্মী নিয়োগের কোটা/লাইসেন্স অনুমোদন করান।
- কর্মীর নামে এমপ্লয়মেন্ট ভিসা ও ওয়ার্ক পাসের অনুমোদন হয়; এরপর ঢাকায় ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- বিএমইটি ছাড়পত্র নিয়ে যাত্রা; ব্রুনাইয়ে পৌঁছে মেডিকেল ও আইডেন্টিটি কার্ডের আনুষ্ঠানিকতা।
যা অবশ্যই যাচাই করবেন
- নিয়োগকর্তার কোটা: যে কোম্পানির নামে ভিসা, তাদের সত্যিই কর্মী নেওয়ার অনুমোদন আছে কিনা — ব্রুনাইপ্রবাসী পরিচিতজন দিয়ে যাচাই করান।
- কাজ আছে কিনা: ব্রুনাইয়ের প্রতারণার মূল ধরন হলো কাজ নেই এমন কোম্পানির নামে ভিসা বিক্রি — পৌঁছানোর পর কর্মী বেকার, আর দালাল লাপাত্তা।
- চুক্তিপত্র: বেতন (ব্রুনাই ডলারে), কর্মঘণ্টা, থাকা-খাওয়ার শর্ত লিখিত চুক্তিতে বুঝে নিন।
- খরচ: সরকার-নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের কয়েকগুণ টাকা চাইলে সেই প্রস্তাব বর্জন করুন।
ব্রুনাইয়ে থাকাকালীন
স্পনসর পরিবর্তনের নিয়ম কঠোর — ভিসা যে কোম্পানির, কাজও সেখানেই করতে হবে। পাস/ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নবায়ন নিশ্চিত করুন; ওভারস্টে-তে জরিমানা ও জেল উভয়ই আছে। সমস্যায় পড়লে বন্দর সেরি বেগাওয়ানের বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করুন। ছোট বাজারে টিকে থাকার মূলমন্ত্র একটাই — যাওয়ার আগে শতভাগ যাচাই, যাওয়ার পরে শতভাগ নিয়ম মানা।
Need Help with Your Brunei Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us