বালির সৈকত, উবুদের ধানখেত আর কমোডো ড্রাগনের দেশ ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশী ভ্রমণপ্রেমীদের উইশলিস্টে উপরের দিকেই থাকে। জেনে রাখা জরুরি — ভিসা-অন-অ্যারাইভাল ও ভিসা-ফ্রি তালিকায় বাংলাদেশ নেই; তবে হতাশারও কিছু নেই, কারণ দেশটির কেন্দ্রীয় ই-ভিসা পোর্টাল (evisa.imigrasi.go.id)-এ অনলাইনে আবেদন করেই ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাচ্ছে।
আবেদনের ধাপ
- পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে ট্যুরিস্ট ক্যাটাগরির ই-ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি, সাধারণত ৬০ দিন পর্যন্ত) নির্বাচন করুন।
- আপলোড করুন: পাসপোর্ট বায়ো পেজ (ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদ), ছবি, ফিরতি টিকিট, হোটেল বুকিং এবং পর্যাপ্ত তহবিলের প্রমাণ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট — আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যালেন্স দেখান, সাধারণত ২ হাজার ডলারের সমতুল্য নিরাপদ)।
- কিছু সাব-ক্যাটাগরিতে ইন্দোনেশীয় স্পনসর/গ্যারান্টরের প্রসঙ্গ আসে — শুধুই পর্যটনের আবেদনে সাধারণত হোটেল বুকিংই যথেষ্ট; পোর্টালের বর্তমান চেকলিস্ট অনুসরণ করুন।
- ফি কার্ডে পরিশোধের পর সিদ্ধান্ত ইমেইলে — প্রিন্ট করে ভ্রমণ করুন।
ভ্রমণ-পরিকল্পনার টিপস
- ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর/সিঙ্গাপুর/ব্যাংকক হয়ে বালির (DPS) কানেক্টিং ফ্লাইট — আগেভাগে কাটলে ৪৫-৬০ হাজার টাকায় মেলে।
- বালিতে প্রবেশে পর্যটন-লেভি প্রযোজ্য — অনলাইনে (lovebali) আগেই দিয়ে রাখলে লাইন বাঁচে।
- উবুদ-কুটা-নুসা পেনিদার ক্লাসিক রুটে ৭ দিনের বাজেট জনপ্রতি (ফ্লাইট বাদে) ৩৫-৫০ হাজার টাকা; স্কুটার ভাড়ায় আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট লাগে।
- ওভারস্টেতে দিনপ্রতি ১০ লাখ রুপিয়া (প্রায় ৭ হাজার টাকা) জরিমানা — মেয়াদের হিসাব সতর্কভাবে রাখুন।
সতর্কতা
'অন-অ্যারাইভাল করিয়ে দেব' দাবিদার এজেন্টরা হয় ভুল জানে, নয় প্রতারণা করছে — বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভরসা শুধু ই-ভিসা। আর গুগল-বিজ্ঞাপনের নকল 'evisa' সাইটে কার্ডের তথ্য দেবেন না; ঠিকানায় imigrasi.go.id আছে কিনা মিলিয়ে নিন। কাগজ ঠিক থাকলে দ্বীপদেশের হাসিমুখ অভ্যর্থনা আপনার অপেক্ষায়।
Need Help with Your Indonesia Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us