প্রায় বিনা খরচে সরকারিভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের সবচেয়ে সফল উদাহরণগুলোর একটি জর্ডানের পোশাক খাত। বোয়েসেলের মাধ্যমে কয়েক বছর ধরে হাজার হাজার বাংলাদেশী নারী কর্মী জর্ডানের গার্মেন্টস কারখানায় নিয়োগ পেয়েছেন — যেখানে বিমানভাড়া, থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসা কোম্পানির খরচে, আর কর্মীর নিজের খরচ কার্যত পাসপোর্ট আর মেডিকেল ফির মধ্যে সীমাবদ্ধ।
সুযোগটি এক নজরে
- পদ: সুইং মেশিন অপারেটর (অভিজ্ঞ), হেলপার থেকে অপারেটর হওয়ার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাও বিবেচিত হন।
- বেতন: ওভারটাইমসহ মাসিক আয় বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩০-৫০ হাজারের ঘরে (কারখানা ও দক্ষতাভেদে ভিন্ন); থাকা-খাওয়া ফ্রি হওয়ায় প্রায় পুরোটাই সঞ্চয়যোগ্য।
- চুক্তি: সাধারণত ৩ বছর, নবায়নযোগ্য; কোম্পানির হোস্টেলে নিরাপদ আবাসন।
- যোগ্যতা: বয়স সাধারণত ২০-৩৫, গার্মেন্টসে কাজের অভিজ্ঞতা; বাছাই হয় ব্যবহারিক (মেশিন) পরীক্ষায়।
আবেদন যেভাবে
- বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে (boesl.gov.bd) প্রকাশিত সার্কুলার দেখুন — কোন কারখানা, কত পদ, ইন্টারভিউয়ের তারিখ সব সেখানে থাকে।
- নির্ধারিত দিনে সিভি, পাসপোর্ট/এনআইডি ও ছবিসহ বাছাই কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে মেশিন টেস্ট দিন।
- নির্বাচিত হলে মেডিকেল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও বিএমইটি প্রক্রিয়া বোয়েসেলের তত্ত্বাবধানেই সম্পন্ন হয়।
সবচেয়ে বড় সতর্কতা
এই নিয়োগে কোনো এজেন্ট বা দালালের ভূমিকা নেই — বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ নামমাত্র এবং তা অফিসিয়াল রসিদে জমা হয়। 'জর্ডানের গার্মেন্টস ভিসা করিয়ে দেব' বলে কেউ ৫০ হাজার-১ লাখ টাকা চাইলে নিশ্চিত থাকুন তিনি প্রতারক। পুরুষ কর্মীদের জন্যও মাঝে মাঝে সীমিত পদ (মেকানিক, কাটিং) আসে — সার্কুলার নিয়মিত দেখুন। জর্ডানে পৌঁছে কোনো সমস্যায় পড়লে আম্মানের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইং পাশে আছে।
Need Help with Your Jordan Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us