স্বল্প খরচে উচ্চ বেতনের বিদেশ-কর্মসংস্থানের প্রশ্নে বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত নাম দক্ষিণ কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (EPS)। সরকারিভাবে বোয়েসেলের মাধ্যমে পরিচালিত এই প্রক্রিয়ার ২০২৬ সালের অনলাইন নিবন্ধন শুরু হওয়ার কথা অক্টোবর ২০২৬-এ (eps.boesl.gov.bd)। প্রতিবারই কয়েক লাখ প্রার্থী আবেদন করেন, তাই আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
পাঁচ ধাপের প্রক্রিয়া
- অনলাইন নিবন্ধন: নির্ধারিত সময়ে বোয়েসেলের পোর্টালে প্রাথমিক নিবন্ধন — আবেদনকারীর সংখ্যা কোটার বহুগুণ হলে লটারি হয়।
- লটারি: নির্বাচিতরাই কেবল পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ পান।
- EPS-TOPIK: কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা (রিডিং + লিসেনিং) — মূল বাছাই এখানেই হয়।
- স্কিল টেস্ট ও মেডিকেল: শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
- রোস্টার ও নিয়োগ: উত্তীর্ণদের তালিকা কোরিয়ান নিয়োগকর্তাদের কাছে যায়; নিয়োগকর্তা বাছাই করলে চুক্তি ও ভিসা (E-9)।
জেনে রাখুন
- ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি, মৎস্য ও নির্মাণ খাতে নিয়োগ হয়; বেতন কোরিয়ার ন্যূনতম মজুরি আইনে সুরক্ষিত — মাসে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় দুই লাখের কাছাকাছি বা বেশি।
- বয়সসীমা সাধারণত ১৮-৩৯ বছর; ফৌজদারি রেকর্ড বা কোরিয়ায় অবৈধ অবস্থানের ইতিহাস থাকলে অযোগ্য।
- বোয়েসেল সরকারি প্রতিষ্ঠান — নির্ধারিত ফি ছাড়া বাড়তি টাকার লেনদেন নেই; 'লটারিতে নাম উঠিয়ে দেব' বলা প্রত্যেকেই প্রতারক।
- ভাষাই আসল অস্ত্র — লটারির অপেক্ষায় না থেকে এখন থেকেই EPS-TOPIK সিলেবাসে কোরিয়ান শেখা শুরু করুন; সরকারি টিটিসিগুলোতে কোর্স আছে।
সময়রেখা মাথায় রাখুন
নিবন্ধন থেকে কোরিয়ায় পৌঁছানো পর্যন্ত সাধারণত এক থেকে দেড় বছর লেগে যায়। এই সময়ে ধাপে ধাপে ভাষা ও স্কিল টেস্টের প্রস্তুতি নিন এবং শুধুমাত্র boesl.gov.bd-এর নোটিশ অনুসরণ করুন — ফেসবুকের ভুয়া সার্কুলার আর ভুয়া 'রেজাল্ট লিংক' থেকে সাবধান।
Need Help with Your South Korea Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us