বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার মালয়েশিয়া নিয়ে আবারও আশার আলো। দেশটির সরকার সংশোধিত কলিং ভিসা কাঠামোয় প্রায় ২৪ লাখ ৬৮ হাজার বিদেশী কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, এবং সব খাতে নারী-পুরুষ উভয় কর্মী পাঠানোর জন্য অনুমোদিত ১২টি উৎস দেশের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে। নিয়োগকর্তাদের জন্য বিশেষ কোটা আবেদনের জানালা খোলা হয়েছিল ১৯ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত — সেসব কোটার বিপরীতে কর্মী আনার প্রক্রিয়া এখন চলমান।
বর্তমান চিত্র
- প্ল্যান্টেশন, ম্যানুফ্যাকচারিং, কনস্ট্রাকশন ও সার্ভিস খাতে চাহিদা সবচেয়ে বেশি; তবে খাতভেদে অনুমোদনের পথ ভিন্ন।
- দেশভিত্তিক কত কর্মী নেওয়া হবে তার আনুষ্ঠানিক বণ্টন এখনো প্রকাশিত হয়নি — 'বাংলাদেশ থেকে এত লাখ যাবে' জাতীয় প্রচার এখন পর্যন্ত অনুমাননির্ভর।
- ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনায় বিদেশী কর্মীর অনুপাত মোট শ্রমশক্তির ১০ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য আছে, তাই দীর্ঘমেয়াদে বাছাই আরও কঠোর হবে।
যেভাবে প্রক্রিয়া এগোয়
- মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তা কোটা অনুমোদন ও ভিসা ডিমান্ড (VDR) সংগ্রহ করেন।
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী বাছাই, মেডিকেল ও বিএমইটি ছাড়পত্র সম্পন্ন হয়।
- কলিং ভিসা ইস্যুর পর ফ্লাইট; মালয়েশিয়ায় পৌঁছে ওয়ার্ক পারমিট (PLKS) স্ট্যাম্পিং হয়।
খরচ ও প্রতারণা-সতর্কতা
- সরকার-নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের বাইরে বাড়তি টাকা দাবি করা বেআইনি — রসিদ ছাড়া কোনো লেনদেন নয়।
- 'কোটা কিনে রাখা আছে' বলে অগ্রিম টাকা নেওয়া পুরনো প্রতারণার কৌশল; ভিসা ও নিয়োগপত্র যাচাইয়ের আগে টাকা দেবেন না।
- ফ্রি ভিসার (কাজ ছাড়া ভিসা) প্রলোভনে গেলে মালয়েশিয়ায় গিয়ে চাকরিহীন ও অবৈধ হওয়ার ঝুঁকি চরম।
সরকার-টু-সরকার আলোচনায় প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ চলছে। প্রকৃত চাকরির প্রস্তাব, লিখিত চুক্তি ও বিএমইটি ছাড়পত্র — এই তিনটি নিশ্চিত করেই কেবল মালয়েশিয়ার পথে পা বাড়ান। সর্বশেষ ঘোষণার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বোয়েসেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন।
Need Help with Your Malaysia Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us