মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়ায় বড় অগ্রগতি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২৮ আগস্ট জানিয়েছে, বাংলাদেশের অনুরোধে মালয়েশিয়া ১০,০০০ বাংলাদেশী কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো-কস্ট) নিয়োগ দিতে সম্মত হয়েছে। এর আওতায় কর্মীদের বিমানভাড়া বা অভিবাসন-সংক্রান্ত কোনো ব্যয় বহন করতে হবে না।
কীভাবে হবে নিয়োগ
- প্রথম দল: সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে পাঠানো হবে।
- এজেন্সি: মালয়েশিয়া সরাসরি ২৫টি বাংলাদেশী রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাই করেছে; আরও ৩১২টি এজেন্সি সহযোগী (অ্যাসোসিয়েট) হিসেবে কাজ করার অনুমতি পেয়েছে।
- যাচাই প্রক্রিয়া: মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি এজেন্সিগুলো যাচাই করেছে; মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বাছাইয়ে বাংলাদেশ সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না।
পটভূমি
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, আগের সরকারের সময়ের দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও অব্যবস্থাপনার কারণে বাজারটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও রাজা সুলতান ইব্রাহিমের সঙ্গে বিষয়টি তুলে ধরেন। জুলাইয়ের শেষে আগস্টের শেষ সপ্তাহে কর্মী পাঠানো শুরুর কথা বলা হলেও প্রথম ফ্লাইটের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি।
মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা
আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগ পর্যন্ত কাউকে টাকা না দিতে, মেডিকেল পরীক্ষা না করাতে এবং পাসপোর্ট জমা না দিতে অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়। 'জিরো-কস্ট' নিয়োগে কেউ টাকা চাইলে সেটিই প্রতারণার স্পষ্ট লক্ষণ — এমন ক্ষেত্রে বিএমইটি বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হটলাইনে অভিযোগ জানান।
Need Help with Your Malaysia Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us