আফ্রিকার সবচেয়ে স্থিতিশীল অর্থনীতিগুলোর একটি মরিশাসে কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশী কর্মীরা কাজ করছেন — বিশেষ করে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কারখানা, ম্যানুফ্যাকচারিং, নির্মাণ ও বেকারি খাতে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, আইনের শাসন ও নিয়মিত বেতনের কারণে দেশটি শ্রমিকদের কাছে 'নীরব কিন্তু নির্ভরযোগ্য' গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।
নিয়োগ যেভাবে হয়
- সরকারিভাবে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মরিশাসের কারখানার জন্য সার্কুলার প্রকাশিত হয় — বাছাই হয় দক্ষতা পরীক্ষায় (মেশিন অপারেটর, ওয়েল্ডার, মেসন ইত্যাদি)।
- বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেও নিয়োগ হয়; সেক্ষেত্রে এজেন্সির বিএমইটি লাইসেন্স ও মরিশাসের নিয়োগকর্তার ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন যাচাই করা অপরিহার্য।
- মরিশাসে কাজ করতে নিয়োগকর্তাকে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে ওয়ার্ক পারমিট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন পাসপোর্ট-ইমিগ্রেশন অফিস থেকে রেসিডেন্স পারমিটের অনুমোদন নিতে হয়।
বেতন ও জীবনযাত্রা
- খাতভেদে মাসিক মূল বেতন বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৫-৪৫ হাজারের ঘরে; ওভারটাইমে আয় বাড়ে। অধিকাংশ কারখানায় থাকা (ডরমিটরি) ফ্রি বা ভর্তুকিমূল্যে।
- চুক্তির মেয়াদ সাধারণত ২-৪ বছর, নবায়নযোগ্য; বছরে নির্দিষ্ট ছুটি ও চিকিৎসা সুবিধা চুক্তিতে উল্লেখ থাকে।
- যাওয়ার আগে চুক্তিপত্রে বেতন, ওভারটাইমের হার ও থাকা-খাওয়ার শর্ত লিখিত আছে কিনা মিলিয়ে নিন।
সতর্কতা
- মরিশাসের নামে 'ইউরোপ যাওয়ার ট্রানজিট' জাতীয় প্রলোভন সম্পূর্ণ ভুয়া — দ্বীপদেশটি থেকে অবৈধ পথে কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই।
- টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ খোঁজা আইনত দণ্ডনীয়; ওয়ার্ক পারমিটের অনুমোদন ছাড়া যাত্রা করবেন না।
- সার্কুলার ও নিয়োগের খবর যাচাই করুন boesl.gov.bd এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে।
যারা গার্মেন্টস বা কারিগরি কাজে অভিজ্ঞ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প খুঁজছেন, তাদের জন্য মরিশাস বিবেচনার মতো গন্তব্য — খরচ তুলনামূলক কম, পরিবেশ নিরাপদ, আর দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল আয়ের সুযোগ আছে।
Need Help with Your Mauritius Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us