গত কয়েক বছরে ইউরোপে বাংলাদেশী কর্মীদের সবচেয়ে বড় নতুন গন্তব্যের নাম রোমানিয়া। শ্রমিক-সংকটে থাকা দেশটি নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ, কারখানা, কৃষি ও হসপিটালিটি খাতে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক বিদেশী কর্মীর পারমিট অনুমোদন করছে — বাংলাদেশীরা এর উল্লেখযোগ্য অংশ। শেনজেন এলাকায় রোমানিয়ার পূর্ণ যোগদানের পর এই ভিসার আকর্ষণ আরও বেড়েছে, সাথে বেড়েছে যাচাই-বাছাইও।
প্রক্রিয়া যেভাবে এগোয়
- ওয়ার্ক পারমিট: রোমানিয়ান নিয়োগকর্তা দেশটির ইমিগ্রেশন অফিস (IGI) থেকে আপনার নামে ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন করান।
- ভিসার আবেদন: পারমিটের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদী (D/AM) ভিসার আবেদন — বাংলাদেশীদের আবেদন রোমানিয়ার নির্ধারিত মিশনে জমা হয়; বিভিন্ন সময়ে ঢাকায় কনস্যুলার টিম এসে বায়োমেট্রিক নিয়েছে, তাই বর্তমান জমাদান-পদ্ধতি আবেদনের আগে যাচাই করুন।
- পৌঁছে রেসিডেন্স পারমিট: রোমানিয়ায় ঢোকার পর নির্ধারিত সময়ে রেসিডেন্স কার্ডের আবেদন করতে হয়।
বেতন ও শর্ত
- ন্যূনতম মজুরি আইনে সুরক্ষিত; খাত ও ওভারটাইমভেদে মাসিক আয় বাংলাদেশী টাকায় ৬০ হাজার থেকে লাখের ঘরে।
- অনেক নিয়োগকর্তা থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা দেয় — চুক্তিতে শর্ত লিখিত আছে কিনা মিলিয়ে নিন।
- চুক্তি সাধারণত ১-২ বছর, নবায়নযোগ্য; দীর্ঘ বৈধ অবস্থানে স্থায়ী বসবাসের পথও খোলে।
সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা: পালাবেন না
রোমানিয়ায় পৌঁছে ইতালি-জার্মানির লোভে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার প্রবণতা এ বাজারের সবচেয়ে বড় বিষফোঁড়া — এতে ধরা পড়লে ডিপোর্ট ও শেনজেন নিষেধাজ্ঞা, আর ধরা না পড়লেও ইউরোপে চিরকাল কাগজবিহীন জীবনের ফাঁদ। মনে রাখুন, রোমানিয়া এখন নিজেই শেনজেনভুক্ত — বৈধভাবে কয়েক বছর কাজ করলে পুরো ইউরোপে চলাফেরার দরজা এমনিতেই খুলবে। ভুয়া পারমিট ও 'গ্যারান্টেড রোমানিয়া' বিজ্ঞাপন থেকে দূরে থাকুন; পারমিটের সত্যতা নিয়োগকর্তার নাম-নম্বরসহ যাচাই করেই টাকা লেনদেন করুন।
Need Help with Your Romania Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us