ক্রেমলিন, রেড স্কয়ার আর হারমিটেজের দেশ রাশিয়া ভ্রমণ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ — দেশটির ইউনিফাইড ই-ভিসা ব্যবস্থার যোগ্য দেশের তালিকায় বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত। দূতাবাসের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বদলে অনলাইনেই আবেদন, আর অনুমোদন মেলে কয়েক দিনে।
ই-ভিসার মূল তথ্য
- মেয়াদ ও অবস্থান: ইস্যুর পর ৬০ দিনের মধ্যে প্রবেশ; একবার ঢুকে টানা ১৬ দিন পর্যন্ত থাকা যায় (সিঙ্গেল এন্ট্রি)।
- উদ্দেশ্য: পর্যটন, ব্যবসা-সফর, আত্মীয় পরিদর্শন — সবই এক ই-ভিসায়।
- আবেদন: রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পোর্টালে (electronic-visa.kdmid.ru) ভ্রমণের ৪-৪০ দিন আগে; ছবি ও পাসপোর্ট স্ক্যান আপলোড করে ফি (প্রায় ৫২ ডলার) কার্ডে পরিশোধ।
- সিদ্ধান্ত: সাধারণত ৪ কর্মদিবসে ইমেইলে — কোনো আমন্ত্রণপত্র, হোটেল-ভাউচার বা দূতাবাস সাক্ষাৎ লাগে না।
জরুরি নিয়মগুলো
- ই-ভিসায় প্রবেশ-প্রস্থান কেবল নির্ধারিত চেকপয়েন্ট দিয়ে (মস্কোর প্রধান বিমানবন্দরগুলো, সেন্ট পিটার্সবার্গসহ) — টিকিট কাটার আগে তালিকা মিলিয়ে নিন।
- নাম-পাসপোর্ট নম্বরে এক অক্ষরের ভুলও বোর্ডিং আটকে দেয় — সাবমিটের আগে তিনবার যাচাই করুন।
- ১৬ দিনের সীমা কঠোর — ট্রেন-বিলম্বের ঝুঁকি ধরে ফিরতি পরিকল্পনায় মার্জিন রাখুন; ওভারস্টেতে জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞা।
- মেডিকেল বীমা সাথে রাখুন; হোটেলে চেক-ইনের সময় মাইগ্রেশন-রেজিস্ট্রেশন হোটেলই করে দেয়।
ভ্রমণ-বাস্তবতা
ঢাকা থেকে দুবাই/ইস্তাম্বুল/দোহা হয়ে মস্কোর কানেক্টিং ফ্লাইট চালু আছে; আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে কার্ড-পেমেন্ট ও রুটে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে — নগদ ডলার/ইউরো সাথে নিন এবং যাত্রার আগে সর্বশেষ ভ্রমণ-পরামর্শ দেখে নিন। ইতিহাস, শিল্প আর স্থাপত্যের অতুলনীয় ভাণ্ডার দেখতে চাইলে — ই-ভিসার এই সুযোগ বাংলাদেশী পাসপোর্টের জন্য সত্যিই বিরল উপহার।
Need Help with Your Russia Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us