সুইডেনের শেনজেন (স্বল্পমেয়াদি) ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস। দূতাবাসের ১৫ অক্টোবরের ঘোষণা অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ঢাকা দূতাবাস আর শেনজেন ভিসার সিদ্ধান্ত দেবে না; বাংলাদেশ থেকে জমা পড়া সব আবেদনের সিদ্ধান্ত নেবে সুইডেনের মাইগ্রেশন এজেন্সি (Migrationsverket)।
যা বদলায়নি
দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, কেবল সিদ্ধান্তগ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ বদলেছে — আবেদনের পদ্ধতি আগের মতোই। আবেদনকারীরা ভিএফএস গ্লোবালে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেবেন, বায়োমেট্রিক দেবেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন।
আবেদনকারীদের যা জানা দরকার
- ফি পরিশোধ: ভিএফএসের ঘোষণা অনুযায়ী ভিসা ফি এখন জমার দিন অনলাইনে ইউরোতে দিতে হয়; আন্তর্জাতিক লেনদেন চালু থাকা ক্রেডিট/ডুয়েল কারেন্সি কার্ড সঙ্গে রাখুন।
- অন্য দেশের ভিসা: বাংলাদেশে সুইডেন ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ ও স্লোভেনিয়ার পক্ষেও শেনজেন আবেদন গ্রহণ করে — এসব দেশের আবেদনকারীরাও নতুন ব্যবস্থার আওতায় পড়তে পারেন; ভিএফএস পেজে নিশ্চিত হোন।
- প্রসেসিং সময়: শেনজেন নিয়মে সাধারণত ১৫ ক্যালেন্ডার দিন, প্রয়োজনে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। কাগজ স্টকহোমে পৌঁছানোর সময় যোগ হওয়ায় ভ্রমণের অন্তত ছয় সপ্তাহ আগে আবেদন করা নিরাপদ।
- অবস্থানের সীমা: যেকোনো ১৮০ দিনে শেনজেন এলাকায় সর্বোচ্চ ৯০ দিন।
আমাদের পরামর্শ
সিদ্ধান্ত এখন সরাসরি মাইগ্রেশন এজেন্সির কেস অফিসারের হাতে, তাই ফাইলে ভ্রমণের উদ্দেশ্য, আর্থিক সক্ষমতা ও দেশে ফেরার কারণ স্পষ্ট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া আরও জরুরি। আমন্ত্রণপত্র, হোটেল বুকিং, ভ্রমণ বিমা (ন্যূনতম ৩০,০০০ ইউরো কভারেজ) ও ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট গুছিয়ে জমা দিন।
Need Help with Your Schengen Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us