চিকিৎসা, ভ্রমণ কিংবা ব্যবসা — বাংলাদেশীদের থাইল্যান্ড যাত্রা এখন অনেক সহজ, কারণ থাই ভিসার পুরো প্রক্রিয়া উঠে এসেছে অনলাইনে। কেন্দ্রীয় ই-ভিসা পোর্টাল (thaievisa.go.th)-এ আবেদন, নথি আপলোড ও ফি পরিশোধের পর অনুমোদিত ভিসা আসে ইমেইলে — দূতাবাসে পাসপোর্ট জমা রাখার প্রয়োজনই নেই।
আবেদনের ধাপ
- পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন শুরু করুন — জমাদানের কার্যালয় হিসেবে ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বাসি নির্বাচন করুন।
- পাসপোর্টের বায়ো পেজ, সাম্প্রতিক ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট (শেষ ৬ মাস), হোটেল বুকিং, ফিরতি টিকিট ও পেশার প্রমাণ আপলোড করুন — স্ক্যান স্পষ্ট রাখুন।
- ফি অনলাইনে পরিশোধ করুন (অ-ফেরতযোগ্য); আবেদন প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েক কর্মদিবস লাগে।
- ইমেইলে আসা ই-ভিসা প্রিন্ট করে ভ্রমণ করুন — ইমিগ্রেশনে এটিই দেখাবেন।
কোন ভিসা কার জন্য?
- ট্যুরিস্ট (TR): ৬০ দিন পর্যন্ত অবস্থান — ভ্রমণ ও চিকিৎসা-পরবর্তী বিশ্রামের জন্য প্রচলিত।
- মেডিকেল (MT): হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারসহ — বামরুনগ্রাদ, বুমরুনগ্রাদ, ভেজথানির মতো হাসপাতালের চিঠি আবেদন শক্তিশালী করে।
- বিজনেস (Non-B): থাই কোম্পানির আমন্ত্রণপত্রে।
প্রত্যাখ্যান এড়ানোর টিপস
- ব্যাংক স্টেটমেন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখুন (জনপ্রতি আনুমানিক ২০ হাজার বাথের সমতুল্য দেখানো নিরাপদ) এবং হঠাৎ বড় জমা এড়িয়ে চলুন — 'ম্যানেজড স্টেটমেন্ট' সহজে ধরা পড়ে।
- হোটেল বুকিং ও ফ্লাইটের তারিখ ফর্মের তথ্যের সাথে হুবহু মেলান।
- আগে ওভারস্টের রেকর্ড থাকলে সততার সাথে ব্যাখ্যা দিন; লুকানো তথ্য ভবিষ্যতের সব আবেদন ঝুঁকিতে ফেলে।
- দালালের 'কনফার্ম ভিসা' প্যাকেজের দরকারই নেই — পোর্টাল বাংলা-সহজ ইংরেজিতে নিজেই ব্যবহারযোগ্য।
ভিসা হাতে পাওয়ার পর মেয়াদ ও এন্ট্রির ধরন (সিঙ্গেল/মাল্টিপল) মিলিয়ে নিন। ব্যাংককের ইমিগ্রেশনে ফিরতি টিকিট ও হোটেলের কপি সাথে রাখুন — ই-যুগেও কাগজের ব্যাকআপ বিপদের বন্ধু।
Need Help with Your Thailand Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us