ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক বাংলাদেশী মুসল্লিদের জন্য ২০২৬-২৭ মৌসুমে সৌদি আরব বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বদলেছে। ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে এই পরিবর্তনগুলো না জানলে বিমানবন্দরে বিড়ম্বনা এমনকি ভিসা বাতিলের ঝুঁকিও আছে।
বড় তিন পরিবর্তন
- ভিসার মেয়াদ ৩০ দিন: আগে ইস্যুর ৯০ দিনের মধ্যে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও এখন ভিসা পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যেই ওমরাহ সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে হবে।
- নুসুক বুকিং বাধ্যতামূলক: নুসুক-যাচাইকৃত হোটেল ও পরিবহন বুকিং নিশ্চিত না হলে ভিসাই ইস্যু হবে না; মসজিদে নববীর রওজা শরীফের স্লটও নুসুক অ্যাপেই নিতে হয়।
- বায়োমেট্রিক ও টিকা: বাংলাদেশ থেকে যাত্রার আগে 'সৌদি ভিসা বায়ো' অ্যাপে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক; আর ভ্রমণের অন্তত ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস (ACWY) টিকা নিতে হবে — সনদের মেয়াদ ৫ বছর।
খরচ ও আবেদন প্রক্রিয়া
- বাংলাদেশীরা সরাসরি নুসুকে ব্যক্তিগত আবেদন করতে পারেন না — সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সধারী এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হয়; প্রক্রিয়ায় সাধারণত ৫-১০ কর্মদিবস লাগে।
- সৌদি সরকারের ভিসা ফি ৩০০ রিয়াল; বীমা ও এজেন্সি সার্ভিসসহ ভিসা-প্রসেসিং খরচ প্যাকেজভেদে প্রায় ১৭ থেকে ৩৮ হাজার টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে (টিকিট-হোটেল বাদে)।
- রমজান মৌসুমে চাহিদা ও দাম দুটোই বহুগুণ বাড়ে — অন্তত ২-৩ মাস আগে বুকিং দিন।
প্রতারণা থেকে বাঁচুন
- এজেন্সির হজ/ওমরাহ লাইসেন্স নম্বর যাচাই করুন; ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তালিকায় নাম আছে কিনা দেখুন।
- 'ট্যুরিস্ট ভিসায় ওমরাহ করিয়ে দেব' প্রস্তাবে সতর্ক হোন — নিয়ম ভাঙলে জরিমানা ও ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি।
- হোটেল হারাম শরীফ থেকে কত দূরে, খাবার-পরিবহন প্যাকেজে আছে কিনা — চুক্তিতে লিখিতভাবে বুঝে নিন।
- ভিসার মেয়াদ যেহেতু ৩০ দিন, টিকিটের তারিখ ভিসা ইস্যুর সাথে মিলিয়ে চূড়ান্ত করুন।
নতুন ব্যবস্থায় প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বচ্ছ হয়েছে, তবে দায়িত্বও বেড়েছে যাত্রীর কাঁধে। সময় নিয়ে পরিকল্পনা করুন, লাইসেন্সধারী এজেন্সিতেই ভরসা রাখুন এবং সর্বশেষ নিয়মের জন্য নুসুক ও সৌদি দূতাবাসের অফিসিয়াল ঘোষণা দেখুন।
Need Help with Your Saudi Arabia Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us