মার্কিন ভিজিট ভিসা প্রত্যাশী বাংলাদেশীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০২৫ সালে চালু হওয়া পরীক্ষামূলক ভিসা বন্ড কর্মসূচিকে স্থায়ী করছে। ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত নিয়মটি ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হচ্ছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানসহ ৫০টি দেশের ব্যবসা (B1) ও পর্যটন (B2) ভিসার আবেদনকারীদের এর আওতায় বন্ড জমা দিতে বলা হতে পারে।
কী বদলাল
- সর্বোচ্চ অঙ্ক বেড়েছে: পাইলট পর্বে বন্ড ছিল ৫,০০০, ১০,০০০ বা ১৫,০০০ ডলার। চূড়ান্ত নিয়মে ৫,০০০ ডলারের বিকল্প বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ সীমা ২০,০০০ ডলার করা হয়েছে।
- সিদ্ধান্ত কনস্যুলার অফিসারের: সব আবেদনকারীকে বন্ড দিতে হবে না; সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার অফিসার ঠিক করবেন কাকে কত টাকার বন্ড দিতে হবে, এবং সেটি ভিসা ইস্যুর শর্ত হিসেবে গণ্য হবে।
- উদ্দেশ্য: মার্কিন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান (ওভারস্টে) কমানোই লক্ষ্য। তাদের হিসাবে ২০২৪ সালে এই ৫০ দেশের প্রায় ৪৫,৫০০ ভ্রমণকারী ওভারস্টে করেছিলেন, যেখানে পাইলটের প্রথম ১০ মাসে আওতাভুক্তদের মধ্যে এই সংখ্যা ছিল ৫০-এর কম।
বন্ডের টাকা কি ফেরত পাওয়া যায়?
পাইলট পর্বের নিয়ম অনুযায়ী, ভিসাধারী ভিসার শর্ত মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে বা আদৌ ভ্রমণ না করলে বন্ডের অর্থ ফেরতযোগ্য; শর্ত ভঙ্গ করলে তা বাজেয়াপ্ত হয়। বন্ড কেবল মার্কিন সরকারের নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থায় জমা দিতে হয় — কোনো এজেন্ট বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নয়। স্থায়ী নিয়মে এসব প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি travel.state.gov-এ প্রকাশিত নির্দেশনা দেখে নিশ্চিত হোন।
আবেদনকারীদের পরামর্শ
অভিবাসন বিষয়ক সংগঠনগুলো সতর্ক করেছে, এই নিয়ম বৈধ ভ্রমণকারীদেরও নিরুৎসাহিত করতে পারে। তাই সাক্ষাৎকারের আগে আর্থিক সক্ষমতা, দেশে ফেরার দৃঢ় কারণ (চাকরি, ব্যবসা, পরিবার) ও আগের ভ্রমণ ইতিহাসের প্রমাণ গুছিয়ে রাখুন। বন্ড চাওয়া হলে কনস্যুলার অফিসারের দেওয়া লিখিত নির্দেশনা ছাড়া কাউকে টাকা পাঠাবেন না।
Need Help with Your USA Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us