দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদীয়মান পর্যটন-তারকা ভিয়েতনাম ভিসা-নীতিতে বড় উদারতা দেখিয়েছে — দেশটির ই-ভিসা এখন বিশ্বের সব দেশের নাগরিকের জন্য খোলা, মেয়াদ ৯০ দিন পর্যন্ত, এবং চাইলে মাল্টিপল এন্ট্রি। বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীরা ঘরে বসেই আবেদন করে হ্যানয়, দা নাং বা হো চি মিন সিটির টিকিট কাটতে পারেন।
আবেদন যেভাবে
- একমাত্র অফিসিয়াল পোর্টাল evisa.gov.vn (ভিয়েতনাম ইমিগ্রেশন বিভাগ) — গুগলে 'Vietnam evisa' লিখলে আগে আসা বাণিজ্যিক সাইটগুলো কয়েকগুণ ফি নেয়।
- পাসপোর্টের বায়ো পেজ ও সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি আপলোড করুন; প্রবেশ-প্রস্থানের বন্দর নির্বাচন করুন (যে বন্দর দেবেন, সেটিই ব্যবহার করতে হবে)।
- ফি: সিঙ্গেল এন্ট্রি ২৫ ডলার, মাল্টিপল ৫০ ডলার — কার্ডে পরিশোধ; ফি অ-ফেরতযোগ্য।
- সাধারণত ৩-৫ কর্মদিবসে ইমেইলে ফল; পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন কোড দিয়ে পিডিএফ নামিয়ে প্রিন্ট করুন।
ভ্রমণকারীদের জন্য দরকারি তথ্য
- পাসপোর্টের মেয়াদ ভ্রমণের তারিখ থেকে অন্তত ৬ মাস রাখুন; ই-ভিসার নাম-বানান পাসপোর্টের সাথে হুবহু মিলতে হবে — এক অক্ষরের ভুলেও বোর্ডিং আটকে যায়।
- ইমিগ্রেশনে হোটেল বুকিং ও ফিরতি টিকিট দেখতে চাইতে পারে; ঘোষিত ঠিকানার সাথে প্রথম রাতের বুকিং মিলিয়ে রাখুন।
- ৯০ দিনের সীমা কঠোরভাবে প্রযোজ্য — ওভারস্টেতে দৈনিক জরিমানা ও ভবিষ্যৎ নিষেধাজ্ঞা।
- ই-ভিসায় কাজ করা নিষিদ্ধ — চাকরির জন্য আলাদা ওয়ার্ক পারমিট-ভিসার পথ আছে।
কেন এখন ভিয়েতনাম?
ঢাকার সাথে সরাসরি/সহজ কানেক্টিং ফ্লাইট, বাজেট-বান্ধব খরচ (দিনে ৩০-৪০ ডলারে সম্মানজনক ভ্রমণ), আর হা লং বে-হোই আন-সাপার মতো বিশ্বমানের গন্তব্য — সব মিলিয়ে ভিসা-সহজ দেশের তালিকায় ভিয়েতনাম বাংলাদেশীদের জন্য সেরা পছন্দগুলোর একটি। শুধু মনে রাখুন: আবেদন অফিসিয়াল পোর্টালে, ফি ২৫/৫০ ডলার — এর বাইরে যে-ই বেশি চায়, সে মধ্যস্বত্বভোগী।
Need Help with Your Vietnam Visa?
Our expert consultants are here to guide you through every step of the process. Get a personalized assessment today!
Contact Us